Address

54, Siddeshwari Road, Dhaka

Hospital Hours:

24/7 Days

Hot-Line

+8809611622333

Appointment

+88 01789446240

সারভাইক্যাল ক্যান্সার অর্থাৎ জরায়ু মুখের ক্যান্সারের লক্ষণ ও চিকিৎসা।

Share This Post

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি বছর বার হাজার মহিলা জরায়ু মুখের ক্যান্সার অর্থৎ সারভাইক্যাল ক্যন্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।প্রতি বছর ছয় হাজারেরও বেশি মহিলাদের মৃত্যুর কারণ এখন এই সারভাইক্যাল ক্যান্সার। নারীদের ক্যান্সারের তালিকায় বাংলাদেশে সারভাইক্যাল ক্যান্সার এর স্থান দ্বিতীয়। আসছে জানুয়ারী মাস সারভাইক্যাল ক্যান্সার সচেতনতার মাস। এই জরায়ু মুখের ক্যান্সার শতকরা ১०० ভাগ ক্ষেত্রে একটি সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য ক্যান্সার। এর প্রতিরোধে প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্ক্রিনিং পরীক্ষা এবং আবিষ্কৃত হয়েছে টিকা। কিছু সচেতনতামূলক জীবন ব্যবস্থা, সময়মত স্ক্রিনিং পরীক্ষা এবং টিকা নেয়ার মাধ্যমে এই মরণঘাতী সারভাইক্যাল ক্যান্সার হতে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

জরায়ু মুখের ক্যান্সারের উপসর্গ

  • প্রাথমিক পর্যায়ে মাসিক ছাড়া যোনীপথে রক্ত যাওয়া।
  • মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও অর্থাৎ মেনোপজের পরও যোনীপথে রক্ত যাওয়া।
  • দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব যাওয়া
  • স্বামী সহবাসে রক্ত যাওয়া 

এই লক্ষণ গুলো থাকতে পারে। ক্যান্সার যদি ছড়িয়ে পড়ে তাহলে কোমড় ব্যথা, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এমনকি প্রস্রাবে রক্ত। ডায়রিয়া, মলের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, এমনকি শ্বাসকষ্ট নিয়েও রোগীরা আসতে পারে। জরায়ু মুখ পরীক্ষা করলে, সেখানে ক্ষত (আলসার) অথবা চাকা (গ্রোথ) পাওয়া যেতে পারে। এখান থেকে “বায়োপসি” নিয়ে পরীক্ষা করলে এই ক্যান্সার নিশ্চিতভাবে নির্ণয় করা যায়। ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে কিনা তার জন্য – 

  • স্টেজিং পরীক্ষা 
  • এম আর আই 
  • আলট্রাসনোগ্রাফী
  • ফুসফুসের এক্সরে 
  • সিস্টোসকপি 
  • প্রক্টোসকপি – করা হয়ে থাকে। 

জরায়ু মুখের ক্যান্সারের চিকিৎসা

সারভাইক্যাল ক্যান্সারের বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। যেমনঃ

  • অপারেশন
  • রেডিওথেরাপি
  • কেমোরেডিওথেরাপি
  • কেমোথেরাপি

অপারেশন শুধুমাত্র প্রাথমিক অবস্থায় অথবা স্টেজ দুই এ পর্যন্ত করা যায়। যখন ক্যান্সার শুধুমাত্র সার্ভিক্স এ থাকে।

ক্যান্সার যদি সার্ভিক্স এর আশে পাশে অর্থাৎ প্যারামেট্রিয়ামে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে অপারেশন এর আর কোন সুযোগ নেই।প্রাথমিক পর্যায়ে অপারেশন করে এবং প্রয়োজনে অপারেশন পরবর্তী রেডিও থেরাপি দিয়ে এই ক্যান্সার সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। তবে চিকিৎসার পর ফলোআপ এ থাকতে হবে। ১ম দিকে ৩ থেকে ৪ মাস পর পর, তারপর ৬ মাস পর পর, তারপর ১ বছর পর পর।

জরায়ু মুখের ক্যান্সারের প্রতিকার

ঝুকিপূর্ণ নারী চিহ্নিতকরণঃ 

  • অল্প বয়সে বিয়ে হওয়া।
  • অল্প বয়সে শারীরিক সম্পর্ক।
  • অল্প বয়সে প্রথম গর্ভধারণ
  • একের অধিক পুরুষের সঙ্গে মেলামেশা।
  • নিম্নমধ্যবিত্ত আর্থ সামাজিক ব্যবস্থা।
  • যোনীপথের স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা না করা।

৩০ বছরের পর থেকে প্রতি ৩ থেকে ৫ বছর পর পর প্রতিটি নারীকে স্ক্রিনিং পরীক্ষা করতে হবে।

  • স্ক্রিনিং পরীক্ষার মধ্যে 
  • ভায়া টেস্ট 
  • প্যাপস টেস্ট
  • এইচ পি ভি টেস্ট প্রচলিত। 

স্ক্রিনিং পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার পূর্ববর্তী অবস্থা নির্নয় করা যায়। ক্যান্সার পূর্ববর্তী অবস্থার সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সারভাইক্যাল ক্যান্সার হতে নিরাপদ থাকা সম্ভব। ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সী সকল কিশোরীকে এইচ পি ভি টিকা দানের মাধ্যমেও এই ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব।

সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার জাতীয় টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় এইচ পি ভি টিকা অন্তর্ভুক্ত করেছেন। দেশে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের একটি সিঙ্গেল ডোজ এইচ পি ভি টিকা দেয়া হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সারভাইক্যাল ক্যান্সার পুরোপুরি নির্মূল করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সুতরাং যথাসময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এই সারভাইক্যাল ক্যান্সার থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখুন।

Dr. Khaleda Akter Bhuiyan
MBBS, BCS (Health) FCPS (Obs & Gynae) Gynae Specialist.
Sheikh Hasina National Institute of Burn & Plastic Surgery,
Training in Laparoscopic Gynae Surgery Consultant (In house MHPL)

Share This Post

Subscribe To Our Newsletter

Stay informed and aware by getting regular updates

More To Explore

Cancer Early Warning Signs
Uncategorized

Cancer Early Warning Signs

ক্যান্সারঃ প্রাথমিক উপসর্গ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সারা বিশ্বে এক কোটির ও বেশী মানুষের মৃত্যু হয়। প্রাথমিক ভাবে ক্যান্সার শনাক্ত করা সম্ভব হলে এই রোগের চিকিৎসা

Read More »

Do You Want To Boost Your Business?

drop us a line and keep in touch